শিক্ষা ক্যাডারদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ, দেখুন এখানে
আবারও বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলি পদায়ন নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালাটি আজ রবিবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ও প্রশাসনিক প্রয়োজনে বদলি/পদায়নের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে; সরকার জনস্বার্থে যে কোন সময় যে কোন শিক্ষক/কর্মকর্তাকে যে কোন পদে/কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করতে পারবে।
বদলি/পদায়নের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে। আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্রাদি দাখিল করতে হবে; নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকগণ চাকরি দু'বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না; অন্যান্য শিক্ষক/কর্মকর্তাগণ একই কর্মস্থলে ০২ (দুই) বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে অন্যত্র বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না; তবে কোন গুরুতর শারীরিক/মানসিক/পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্র বিশেষে ০২ (দুই) বছর পূর্ণ হবার পূর্বে আবেদন করা যাবে। যৌক্তিকতা সাপেক্ষে আবেদন বিবেচনার এখতিয়ার সরকারের থাকবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে চাকরিজীবী হলে স্বামী বা স্ত্রী'র কর্মস্থলে/নিকটতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি/পদায়নের জন্য আবেদন করা যাবে। সরকার এই বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবে; অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাওয়ার এক বছর পূর্বে কোন কর্মকর্তা/শিক্ষক তার সুবিধামত স্থানে বদলির জন্য আবেদন করলে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উক্ত আবেদন বিবেচনা করা হবে; অসম্পূর্ণ তথ্য সম্বলিত আবেদন দাখিল করলে এবং পিডিএস হালনাগাদ না থাকলে বদলির আবেদন বিবেচনা করা হবে না; বদলির আবেদন মূল্যায়ণে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যা, পেশাগত সমস্যা, আবেদনকারী বা তার পরিবারের সদস্যদের দূরারোগ্য অসুস্থতা, নিজ জেলা হতে কর্মস্থলের দূরত্ব ইত্যাদি বিষয়সমূহ বিবেচনা করা হবে।