২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৪৮

শিক্ষকদের চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ড. মাহদী আমিন  © ফাইল ছবি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা চিকিৎসা ভাতা হিসেবে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে পান; বাড়ি ভাড়া পান মূল বেতনের ১৫ শতাংশ। অন্যদিকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি স্কুল কিংবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা চিকিৎসা ভাতা পাচ্ছেন ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বিষয়টি শিক্ষায় এক ধরনের বৈষম্য তৈরি করছে বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের। একই সাথে বাড়ি ভাড়া ভাতাতেও ব্যাপক বৈষম্য রয়েছে।

সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের এ ভাতার বৈষম্যের বিষয়টি নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস কথা বলেছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলবেন।’

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা চিকিৎসা ভাতা পান ৫০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া পান মূল বেতনের ১৫ শতাংশ। তাদের অন্যান্য কোনো ভাতা সুবিধা নেই। অন্যদিকে সরকারি হাই স্কুল কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা চিকিৎসা ভাতা পান ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বাড়ি ভাড়া পান ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। এই বৈষম্য দূর করতে কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা।

জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানান, ‘বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।’

এদিকে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নবম পে-স্কেলের আওতায় আসবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করতে পৃথক গেজেট জারি করতে হবে। যা এখনো জারি করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস কথা বলেছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’