৪ শতাংশ হারে কেটে রাখা টাকা পেতে শিক্ষকদের যা করতে হবে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৪ শতাংশ হারে কেটে রাখা কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা এখনো পাননি অনেকে। বিভিন্ন ত্রুটির কারণে আটকে থাকা এ অর্থ পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি ও সর্বশেষ ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ধারিত গুগল ফরমে জমা দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদনগুলোর মধ্যে যারা ইতোমধ্যে এমপিও থেকে ৪ শতাংশ হারে কর্তন করা জমার টাকা পেয়েছেন, তাদের অবশিষ্ট প্রাপ্য অর্থও দ্রুত যাচাই করে ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। আবেদন জমা দেওয়ার তারিখের ক্রমানুযায়ী এসব আবেদন যাচাই করা হবে।
অন্যদিকে, বিভিন্ন ত্রুটির কারণে যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এখনো কর্তনের টাকা পাননি, তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র নতুন করে জমা দিতে বলা হয়েছে।
যা জমা দিতে হবে
টাকা পেতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে সর্বশেষ ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি প্রস্তুত রাখতে হবে। এরপর নির্ধারিত গুগল ফরমের লিংকে প্রবেশ করে চাওয়া তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
ফরম পূরণের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কপিও সঠিকভাবে আপলোড করতে হবে। কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকলে অর্থ পেতে ফের জটিলতা তৈরি হতে পারে তাই তথ্য ও নথি যাচাই করে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে কল্যাণ ট্রাস্ট।
যাদের টাকা ইতোমধ্যে এসেছে
২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যেসব আবেদন জমা পড়েছে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীরা ইতোমধ্যে ৪ শতাংশ হারে কর্তন করা জমার টাকা পেয়েছেন, তাদের অবশিষ্ট প্রাপ্য অর্থও পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।
আবেদন জমার তারিখের ক্রমানুসারে যাচাই শেষ করে এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।