৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৭

ইমেইল পাঠায়নি সব প্রতিষ্ঠান, মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর  © সংগৃহীত

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরুর আগে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানানোর সময়সীমা শেষ হয়েছে। গতকাল (৩০ আগস্ট) ছিল ই-মেইল পাঠানোর শেষ দিন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান ই-মেইল পাঠায়নি। এ অবস্থায় বাদ পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুযোগ দিতে সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না, তা নিয়ে নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা (এমপিও শাখা) শাকিলা রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান ই-মেইল পাঠিয়েছে। তবে এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল পাওয়া যায়নি। আমরা ইএফটিতে বেতন দেই ২ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু আজ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ মতো প্রতিষ্ঠানের ইমেইল পেয়েছি।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বদলি কার্যক্রম সফটওয়্যারভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় শিক্ষকরা নিজেদের তথ্য দিয়ে সফটওয়্যারে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা ট্রেডের শূন্য পদ দেখতে পারবেন। পছন্দের প্রতিষ্ঠানে একই বিষয় বা ট্রেডের শূন্য পদ থাকলে সেখানে বদলির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করে অধিদপ্তরকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এসব ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ ও বদলি-সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, বদলি কার্যক্রমে অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করে তা অধিদপ্তরকে জানানোর জন্য ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান ই-মেইল পাঠাতে পারেনি, তাদের বিষয়ে এখন কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে কাজ করছে অধিদপ্তর।

শাকিলা রহমান বলেন, বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্ধারিত সময়সীমা সম্পর্কে সবসময় সচেতন থাকেন না। তাই সময় শেষ হওয়ার পরও কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ই-মেইল পাঠাতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো ই-মেইল পাঠায়নি, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হতে পারে। কারণে এখনই সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কয়েক দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বদলি কার্যক্রমে প্রথম ধাপেই আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। এ কারণে একসঙ্গে সব আবেদন নিষ্পত্তি না করে কয়েক ধাপে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে একই সঙ্গে কোনো একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক শিক্ষক আবেদন করলে নির্দিষ্ট কিছু অগ্রাধিকার বিবেচনা করা হবে। নারী শিক্ষক, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বদলি কার্যক্রম সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।