২৬ জুলাই ২০২৬, ১৮:২৫

দুই কারণে আটকা ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

এনটিআরসিএ  © ফাইল ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম থমকে রয়েছে। প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনুসরনীয় পদ্ধতি নিয়ে পরিপত্র জারি করতে না পারা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না মেলা—মূলত এ দুটি কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের রুটিন দায়িত্ব পাওয়া অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) আলিফ রুদাবা সংস্থাটির কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এনটিআরসিএর বিদ্যমান সমস্যা, আটকে থাকা নিয়োগসহ সার্বিক বিষয় বোঝার চেষ্টা করছেন। এজন্য প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের অনুসরণীয় পদ্ধতি নিয়ে এখনো সভা আহবান করা হয়নি।

সূত্রের তথ্য বলছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে এনটিআরসিএ যে চিঠি পাঠিয়েছিল সেটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। আগের চিঠির সঙ্গে নতুন করে আরও কিছু তথ্য যুক্ত করে নতুন করে চিঠি বা প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। নতুন করে চিঠি পাওয়া এবং পরিপত্র জারি হওয়ার পর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘নতুন চেয়ারম্যান বিচক্ষণ ব্যক্তি। এনটিআরসিএকে গতিশীল করতেই মূলত তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এনটিআরসিএর বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছেন। সবকিছু বুঝে ওঠার পর প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সভা ডাকা হবে। এরপর ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমোদনও দেওয়া হবে।’

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে সংশোধিত অনুসরণীয় পদ্ধতি পরিপত্র আকারে জারির লক্ষ্যে গত ১৬ জুলাই সভা ডেকেছিল মন্ত্রণালয়। তবে সভার ঠিক একদিন পূর্বে সেটি স্থগিত করা হয়। 

জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষে প্রথমে ৭৭ হাজারের বেশি শূন্য পদের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। সেটি অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি পদের সঠিকতা পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৬ হাজার পদ ১৮তম নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন সারা দেশে ৬৯ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এজন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে এনটিআরসিএ। তবে পরিপত্র জারি না হওয়ায় এখনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।