শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাবলিক পরীক্ষার খাতা দেখান শিক্ষকরা, যে ব্যবস্থার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষকদের পাবলিক পরীক্ষা খাতা দেখানোর বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের তেমন কোনও পরিসংখ্যান ছিল না। এবার পরীক্ষক বাড়ানো হয়েছে। আমরা এগুলো পরীক্ষা করে দেখব। আমরা খাতা কমিয়েছি। তারা কীভাবে খাতা দেখছে, সেগুলো আমরা পরীক্ষা করে দেখব।’
আজ বুধবার (১ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এআই আসলে ৪০ শতাংশ চাকরি কমবে, এ বিষয়ে আমি শিওর না। ২০২৭ সালে আমাদের নতুন কারিকুলাম করা সম্ভব হয়নি। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামে যাচ্ছি। ডিজিটাল প্রশ্ন হ্যাকিং হয় ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রশ্নেও, আমাদের হয়নি। আমাদের নিয়মিত দুর্বলতা কমানোর চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবকিছু পরীক্ষা করেছি, সবকিছু কতটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আমরা আইন কড়াকড়ি করছি। তিন সেট প্রশ্ন করেছি। প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ কিছু হলে সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা আছে। একক প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নে ট্রেনিং ও খাতা কম দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছি। খাতা পুনর্মূল্যায়ন হবে। খাতা দেখে গেলেন, কেউ দেখল না, এটা হবে না।’
আরও পড়ুন: ঢাকা থেকে সরাসরি মনিটরিং হবে দেশের সব কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষা
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষা-২০২৬ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মনিটরিং সেল স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে বাংলদেশের যেকোনো প্রান্তের কেন্দ্রের পরীক্ষা মনিটরিং করা যাবে।’
তিনি বলেন, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড-এর অধীন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ শুরু হবে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সব বোর্ডে ২০২৬ সালে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি।’