পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তি ছড়ালে কঠোর আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পরীক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পরীক্ষায় নকল বা প্রশ্ন ফাঁস না হওয়া সত্ত্বেও কেউ যদি সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেন, তবে অবশ্যই পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আজ রবিবার (২৮ জুন) সিলেটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষ্যে সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং সিলেট অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা বোর্ডগুলোকে শুধু পরীক্ষা গ্রহণ করলেই চলবে না, বরং শিক্ষার মানোন্নয়নে বোর্ডগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষা বোর্ডের কাজ শিক্ষার মানোন্নয়ন করা। তাই, গতানুগতিকতার বাইরে এসে বোর্ডগুলোকে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসকল অনিয়ম মোকাবিলায় পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধন করা হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে এটি বিল আকারে উত্থাপন করা হবে। নকল প্রতিরোধ আইনটি নতুনভাবে সংস্কার ও যুগোপযোগী করার উদ্দেশ্যে উত্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী এসময় উল্লেখ করেন, যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে পুলিশ 'বডি-ওর্ন ক্যামেরা' ব্যবহার করবে।
শিক্ষকদের মানোন্নয়ন বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যদি শিক্ষকরা দক্ষ ও সক্ষম না হন, তাহলে ভালো শিক্ষার্থীও হবে না। এজন্য শিক্ষকদের আরো দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য বাজেটেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সভায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সচিব চৌধুরী মামুন আকবর, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ আহমেদ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও কেন্দ্র প্রধানগণ আরও উপস্থিত ছিলেন।