‘১-১২তম নিবন্ধনধারীদের বয়স ৫০ বছর হয়ে গেছে, কোয়ালিফাইড হলে অন্যকিছু করতে পারতো’
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্র ড. আ ন ম এহছানুল হক মিল বলেছেন, ১-১২তম নিবন্ধনধারীরা এখনো চাকরির জন্য ঘুরছেন। তাদের বয়স হয়ে গিয়েছে ৫০ বছর। তারা যদি কোয়ালিফাইড হতো তাহলে অন্য কোথাও তো কিছু করতে পারতো। তারপরও চেষ্টা করছি তাদেরকে আবার রি-এক্সামিন দিয়ে অ্যাকমোডেট করা যায় কিনা।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ড. মিলন বলেন, এনটিআরসিএ আমিই তৈরি করেছিলাম, কারণ কোয়ালিটি টিচার আমাদের দরকার। কোয়ালিটি টিচার পুল করার জন্য আমি এটা করেছিলাম। রাজনীতিবিদরা মনে করেন তাদের নিজেদের নামে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে এটা বিরাট ক্রেডিটের ব্যাপার। যেখানে দরকার নেই সেখানেও প্রতিষ্ঠান হয়েছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমরা সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করেছিলাম। কেবল কোয়ালিফাইড শিক্ষক পেলে তারা প্রতিষ্ঠান করতে পারবেন। সেজন্য এনটিআরসিএর ব্যবস্থা হয়েছিলো। কিন্তু এনটিআরসিএতে বলা হয়নি, পরীক্ষায় পাস করলেই তাকে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরবর্তীকালে সরকার এটা পাস করলেই তাদের শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিলো। কিন্তু তারা দিতে পারেনি। কারণ আপনি সার্টিফিকেট পেয়েছেন, এটা আপনার হাতে রইলো। অন্যান্য দেশে সিপিএ, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্তার, লইয়ার বলেন সব পেশায় একটা সার্টিফিকেট থাকতে হয়। সার্টিফিকেট থাকলেই যে ল প্রাক্টিস করতে হবে, টিচার সার্টিফিকেট থাকলেই যে টিচিং করতে হবে- নট নেসেসারি।
তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম ফর থ্রি ইয়ারস দিস সার্টিফিকেট ইস ভ্যালিড। কিন্তু লাস্ট গভর্মেন্ট এটাকে এমন একটা অবস্থা করেছে, একদম ডাল-খিচুড়ি বানিয়ে দিয়েছে।