পৃথক পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পৃথক বা স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রবিবার (১৪ জন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রোববারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমানে দেশের প্রচলিত পরীক্ষা ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর সুশৃঙ্খল, নিরপেক্ষ ও মানসম্মত করা এবং পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত পুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সারাদেশে পৃথক বা স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Feasibility Study) প্রস্তাব অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, ভৌগোলিক অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামোর প্রাপ্যতা, জমির প্রাপ্যতা এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় উপজেলা, জেলা অথবা আঞ্চলিক পর্যায়ে স্বতন্ত্র পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সমীক্ষার সুপারিশ এবং পরবর্তী উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তবে সমীক্ষা সম্পন্ন এবং প্রকল্প অনুমোদনের পূর্বে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও কার্যকর পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, যাতে পরীক্ষার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয় এবং পরীক্ষার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।