প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি স্কুল ও কলেজে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভাইভা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা এ আই পদ্ধতিতে নেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা ভাবছি ভাইভায় যে প্রার্থী ফেল করবেন সেটাও ফেল। আরো কিছুদিন আমরা এআই দিয়ে ভাইভা নেয়ার চেষ্টা করছি। দেখা যাক যদি না হয় ম্যানুয়ালি ভাইভা নেয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রক্রিয়া চালুর আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
এর আগে মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য নেওয়া পরীক্ষায় প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এ পদে ১১ হাজার ১৫০টি শূন্য পদ রয়েছে এবং সেই পদগুলোতে নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষাটি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্তে যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে পরীক্ষা বাতিল করে আবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে।