২০ মে ২০২৬, ১৬:২৩

‘ওয়ান ট্যাব ওয়ান টিচার’ কর্মসূচিতে সহায়তা করবে গুগল

গুগলের হেড অব সলিউশনস ইঞ্জিনিয়ারিং অলি ট্রাসেলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন  © সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারের নেওয়া ‘ওয়ান ট্যাব ওয়ান টিচার’ কর্মসূচিতে বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুগল ( Google)  সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (২০ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়। 

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’-এর সাইডলাইনে কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে গুগল ফর এডুকেশনের প্যাসিফিক রিজিওনাল ডিরেক্টর কলিন মারসন এবং হেড অব সলিউশনস ইঞ্জিনিয়ারিং অলি ট্রাসেলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশের সামগ্রিক শিক্ষা খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং সরকারের ডিজিটাল রূপান্তর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুগল কীভাবে কৌশলগত সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। গুগলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার জোরদারে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের চলমান আন্তর্জাতিক কার্যক্রম ও সফল মডেলগুলো সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষকদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আরও আকর্ষণীয় ও কার্যকর করতে বিভিন্ন আধুনিক ডিজিটাল টুলসের ব্যাপক ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সরকারের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ উদ্যোগটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এই উদ্যোগ সফল করতে গুগলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মতবিনিময় করেন। 

উল্লেখ্য, শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন বর্তমানে বিশ্বব্যাপী শিক্ষাবিদ ও নীতি-নির্ধারকদের সর্ববৃহৎ আয়োজন ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন।

বর্তমান বিশ্ব দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া কার্যকর শিক্ষা কল্পনাও করা যায় না। শিক্ষাক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয় এবং সে কারণে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি একটি যুগোপযোগী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রত্যেক শিক্ষককে (প্রথম পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য) একটি করে ট্যাব প্রদান করা, যাতে তারা আধুনিক ডিজিটাল উপকরণ ব্যবহার করে পাঠদান করতে পারেন।