০৪ মে ২০২৬, ২০:৩৫

বাস্তবায়নের পথে পে-স্কেল: শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে মন্ত্রণালয়

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক  © ফাইল ছবি

নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে করা পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে সরকার। প্রথম ধাপে আসন্ন জুলাই থেকে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হতে পারে। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি পাবে। প্রশ্ন উঠেছে, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পাবে কিনা সেটি নিয়ে।

অর্থ মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনও বৃদ্ধি পাবে। যদিও সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনুদান দেয়; তবুও তাদের বেতনও বৃদ্ধি পাবে। সেভাবেই অর্থ বরাদ্দের পথে হাঁটছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘নবম পে-স্কেলের সুবিধা এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পাবেন। বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের পুরো বেতন সরকার না দিলেও একটি অংশ সরকারের পক্ষ থেকে পেয়ে থাকেন। এর ফলে পে-স্কেলের সুযোগ-সুবিধা তারাও পাবেন।

এদিকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে গঠিত পে-কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। তবে বর্তমান সরকারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় এটি ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানা গেছে।

সোমবার (৪ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। প্রথম ধাপে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হতে পারে। তবে এই ৫০ শতাংশ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী হবে না। কমিশন মূল বেতন বৃদ্ধির যে সুপারিশ করেছে সেটির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ করার পর যে অর্থ হয়, সেই অর্থের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে সূত্রটি।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি যে সুপারিশ করেছে, সেই সুপারিশের আলোকে আমরা কাজ করছি। শিগগিরই বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। নবম পে-স্কেল প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কঠিন। এজন্য মূল বেতন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’