০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২৬

শিক্ষকদের বদলি দুঃসংবাদ দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয়  © ফাইল ছবি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নিয়ে সুখবর দিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) শিক্ষকদের তথ্য সফটওয়্যারে ইনপুট না দেওয়া পর্যন্ত বদলি আলোর মুখ দেখবে না।

বুধবার (৮ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, অধিদপ্তরকে বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও তারা বদলি সফটওয়্যারে শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য ইনপুট করছে না। এই প্রক্রিয়া শুরু না হলে বদলি চালু করা সম্ভব হবে না। অন্যদিকে মাউশি বলছে, সফটওয়্যারে তথ্য ইনপুটের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য মাঠ পর্যায় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এর আগে সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও কর্মচারীদের বিষয়টি যুক্ত করতে হবে। এই কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত সফটওয়্যারে তথ্য ইনপুটের সুযোগ নেই। এ অবস্থায় কবে নাগাদ বদলি শুরু করা যাবে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের কেউ কিছু বলতে পারছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা মাউশিকে সফটওয়্যারে তথ্য ইনপুটের নির্দেশনা দিয়েছি। এ বিষয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি তারাই ভালো বলতে পারবেন।’

জানতে চাইলে মাউশির উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. ইউনুছ ফারুকী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি চালু হবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি। তথ্য ইনপুটের পূর্বে আমাদের কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এ কাজগুলো সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে।’

জানা গেছে, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করে তারা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেতেন। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা এ সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আবেদন করার সুযোগ বন্ধ করে দেয়।

পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বদলি চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। তবে শিক্ষকদের এক পক্ষের রিট, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া, নীতিমালা সংশোধনসহ একাধিক কারণে এখনো বদলি কার্যক্রম শুরু হয়নি। বদলির জন্য সংশোধিত নীতিমালা জারি হলেও সফটওয়্যারে নতুন করে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও কর্মচারীদের বিষয়টি যুক্ত করার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এ কার্যক্রম শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।