কওমিসহ তিন শিক্ষাব্যবস্থা সমন্বয়ের বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ইবতেদায়ী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে ব্যাপক কাজ শুরু করেছি। কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, একটি দেশে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা না থেকে কীভাবে সমন্বিত করা যায়, সে ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা এবং উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনগুলোতে পর্যায়ক্রমে আপনারা দেখতে পাবেন।
আজ রবিবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরুর পর কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, তিন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা সমন্বিত করা জটিল ব্যাপার। ইংলিশ মিডিয়াম সরকারের আওতায় এনে কীভাবে যুগোপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে কমিটি করা হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় রুরাল এবং আরবান—এই দুটি সেকশন রয়েছে। গ্রামীণ জনপদে যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেখানে প্রি-প্রাইমারি স্কুল আছে এবং ছাত্রসংখ্যা ততটা প্রতিযোগিতামূলক নয়। সে কারণে সেখানে ভর্তির সমস্যা তেমন একটা হয় না।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নতুন পাঁচ উদ্যোগের কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
তিনি বলেন, ঢাকা শহরসহ বড় শহরগুলোতে প্রাথমিক স্তরে ভর্তির একটি সমস্যা রয়েছে। এই জটিলতা নিরসনের জন্য বিগত সরকার লটারি সিস্টেম চালু করেছিল। তবে সেটি আদৌ কতটা যুক্তিসংগত, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর এই শিক্ষাব্যবস্থায় ভর্তি পদ্ধতি কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অর্থাৎ অভিভাবকদের সঙ্গে বিভিন্ন সেমিনার ও আলোচনার মাধ্যমে মতামত নেব। সবার অভিমত নিয়ে একটি জনমত সৃষ্টি করে আমরা আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব।