১৪ মার্চ ২০২৬, ২১:৪০

মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতে আসিনি, এটা আমার ইবাদতখানা

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন  © সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমি এই মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতে আসিনি। আমি এখানে এসেছি ইবাদত করার মনোভাব নিয়ে। এটা আমার ইবাদতখানা। আমি এখানে ধনী হতে আসিনি, চুরি করতে আসিনি বা ক্ষমতার অপব্যবহার করতে আসিনি। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ যদি আমাকে সময় ও সুযোগ দেন, তাহলে আমি এই মন্ত্রণালয়ে এমন কিছু কাজ করে যেতে চাই যা দেশের জন্য স্থায়ী অবদান হয়ে থাকবে।

শনিবার (১৪ মার্চ) নিজ বাসভবনে শিক্ষা বিট সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. মিলন বলেন, আমার কাছে সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার শুধু সংসদ সদস্যরা নন, আপনারা সাংবাদিকরাও। কারণ আপনারা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা খাতের নানা সমস্যা তুলে ধরেছেন এবং অন্যায় হলে প্রতিবাদ করেছেন। ২০০১ সালে আমি সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেয়েছিলাম বলেই অনেক কাজ সফলভাবে করতে পেরেছিলাম।

নিজ পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আমি কোনো দলীয় বিভাজন আনতে চাই না। বিএনপি, আওয়ামী লীগ বা জামায়াত—কাউকে বাদ দেওয়ার নীতি আমার নয়। সবাইকে সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে। যারা গত ১৫–১৭ বছর নানা কারণে সুযোগ পাননি, তাদেরও এবার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আমি বিবেচনা করছি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের কাজের চাপ অত্যন্ত বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত ব্যস্ত। অনেক সময় তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

তারপরও আমি চেষ্টা করছি প্রতিটি বিষয় সুচিন্তিতভাবে এগিয়ে নিতে। বিশেষ করে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের কাজটি আমার কাছে একটি বড় দায়িত্ব। ২০২৭ সালের মধ্যে যদি এই কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে না পারি, তাহলে সেটি আমার কাছে অপূর্ণতা হিসেবে থেকে যাবে।