১২ মার্চ ২০২৬, ১২:০৬

এনটিআরসিএ শিক্ষকদের আন্তঃঅধিদপ্তর বদলির দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে স্মারকলিপি

শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন  © ফাইল ছবি

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আন্তঃঅধিদপ্তর বদলি ব্যবস্থা চালুর দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বদলি প্রত্যাশী শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) কারিগরি শিক্ষক পরিষদের পক্ষে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

কারিগরি শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. আসাদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেনের স্বাক্ষরে জমা দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, তারা এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষকতা করছেন। সম্প্রতি বেসরকারি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বদলি প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত নীতিমালায় শুধুমাত্র সম-অধিদপ্তরভিত্তিক বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে অনেক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। তারা বৈষম্যের শিকার হবেন।

স্মারকলিপিতে তারা জানান, এনটিআরসিএর মাধ্যমে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা এবং একই মেধাতালিকার ভিত্তিতে শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আবেদন করার সময় শিক্ষকরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিতে পেরেছেন। ফলে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য থাকা উচিৎ নয়। এছাড়া সাধারণ বিষয় যেমন বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান ও ধর্ম এসব বিষয়ে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থায় প্রায় একই ধরনের পাঠ্যক্রম রয়েছে। তাই এক অধিদপ্তর থেকে অন্য অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা কারিগরি বাধা নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশে স্কুল ও মাদ্রাসার তুলনায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক কম। ফলে কারিগরি থেকে শুধু কারিগরিতে বদলির নিয়ম থাকলে সেখানে কর্মরত সাধারণ বিষয়ের শিক্ষকরা শূন্যপদ না থাকায় কখনোই বদলির সুযোগ পাবেন না। শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের এমপিও প্রক্রিয়া ডিজিটাল হওয়ায় একই সফটওয়্যার ও ডাটাবেজ ব্যবহার করে আন্তঃঅধিদপ্তর বদলি সমন্বয় করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষকদের মানসিক প্রশান্তি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বদলি প্রক্রিয়াকে অধিদপ্তরভিত্তিক সীমাবদ্ধ না রেখে ‘আন্তঃঅধিদপ্তর’ (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) ভিত্তিক করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।