বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি অভিভাবক ঐক্য ফোরামের
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা পরিচালনার নতুন প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করে দ্রুত ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যাংকার মো. সেলিম মিয়া।
আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, গত অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে শিক্ষা বোর্ডসমূহের চেয়ারম্যানগণ নতুন প্রবিধানমালা চূড়ান্ত না হওয়ার অজুহাত দাঁড় করিয়ে সারাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি/ গভর্নিং বডির নির্বাচন স্থগিত রাখার অগণতান্ত্রিক নির্দেশনা জারি করছেন। এই নির্দেশনার পরও একমাস অতিবাহিত হলেও নতুন প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান হচ্ছে না। বরং শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ মেয়াদ উত্তীর্ণ এডহক কমিটির স্থলে নতুন এডহক কমিটি গঠন না করে পূর্বের কমিটির মেয়াদ বৃদ্ধি করার ষড়যন্ত্র করছে।
‘দেশে গণতান্ত্রিক সরকার চলমান থাকা সত্ত্বেও ও গ্রামগঞ্জে নির্বাচনি আবহাওয়া বিরাজমান থাকায় শিক্ষা প্রশাসন ও শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি/ গভর্নিং বডির নির্বাচন আয়োজনে কেন ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে তা বোধগম্য নয়।’
নেতৃদ্বয় বিবৃতিতে আরও বলেন, জনশ্রুতি রয়েছে সরকারের অভ্যন্তরে লুকানো থাকা আমলাদের একটি গ্রুপ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলের মতো পরিচালনা পর্ষদে সরকারি কর্মকর্তাদের খবরদারি/প্রাধান্য রাখতে নতুন প্রবিধানমালা চূড়ান্ত না করে তালবাহানা করছে। নেতৃদ্বয় বলেন, বিগত আওয়ামী সরকার সংসদ সদস্যগণকে কমপক্ষে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি করে প্রবিধানমালা জারি করার পর অভিভাবক ঐক্য ফোরাম এর পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে রিট করে তা বাতিল করা হয়েছিল।
আরও বলা হয়, বর্তমান সরকার যদি বিগত আওয়ামী সরকারের মতো পুনরায় স্বেচ্ছাচারিভাবে পরিচালনা পর্ষদে আমলাদের কর্তৃত্ব চাপিয়ে দিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে নতুন প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার তালবাহানা শুরু করেন বা আমলাদের দ্বারা তথাকথিত বিশেষ কমিটি গঠন করার পাঁয়তারা করে তাহলে অভিভাবকরা আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।