২০ জুন ২০২৬, ১৪:১৫

এইচএসসিতে নকল করলে ৫ পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নেবেন পরীক্ষক

পরীক্ষার হল ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের লোগো  © সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষায় নকল বা অনিয়ম ধরা পড়লে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষক ও কক্ষ প্রত্যবেক্ষকরা পাঁচটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (২০ জুন) বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, নকল সংক্রান্ত ঘটনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নকলের ক্ষেত্রে প্রথমত, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক অথবা কর্মরত অন্য যে অফিসার নকল ধরেছেন তার বিবরণ। যিনি নকল ধরেছেন তার মূল রিপোর্ট সংযুক্ত করে দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার্থীকে নকল করার সময় ধরা হয়েছে অথবা তার নিকট নকল করার মত কাগজপত্র ছিল বলে ধরা হয়েছে সে নকল করার কাজ সম্পন্ন করতে সমর্থ হয়েছে কিনা তার প্রকৃত অবস্থার পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে। যদি নকল করার সময় ধরা হয়ে থাকে তবে যে অংশ নকল করা হয়েছে সে অংশ উত্তরপত্রে এবং নকলের কাগজপত্রে লাল কালি দিয়ে অবশ্যই চিহ্নিত করতে হবে এবং যে অফিসার বিষয়টি ধরলেন তারিখসহ তার স্বাক্ষর সেখানে থাকতে হবে। 

তৃতীয়ত, পরীক্ষার্থী কাগজপত্র সমর্পণ করতে কোন বাধা দিতে থাকলে অথবা অমান্য করে থাকলে অথবা প্রত্যবেক্ষক কর্মকর্তার সঙ্গে
অবৈধ আচরণ করে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে।

চতুর্থত, শৃঙ্খলা বিধি ৪(ই) অনুযায়ী কোনো পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার না করে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হলে, কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো তার কারণসহ আলাদা গোপনীয় প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করে উত্তরপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র বোর্ডে পাঠাতে হবে।

পঞ্চমত, আটক করা উত্তরপত্র, প্রবেশপত্র ও নকলের কাগজসহ সব ধরনের জব্দকৃত নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন যথাযথভাবে সংযুক্ত করে বোর্ডে পাঠাতে হবে।