০২ জুন ২০২৬, ১৭:৪৪

এসএসসির অতিরিক্ত খাতা নেওয়া আরও দুই শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ

পরীক্ষার খাতা ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের লোগো  © সংগৃহীত

তথ্য গোপন করে এসএসসির অতিরিক্তি খাতা নিয়ে তা অল্প সময়ের মধ্যে মূল্যায়ন করা আরো দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। মঙ্গলবার (২ জুন)  বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

শোকজ পাওয়া দুই শিক্ষক হলেন- নরসিংদী মাধবদী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মো. মনির হোসেন ও রাজবাড়ীর লাড়ীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম। 

মো. মনির হোসেনকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ১ম পত্র (বিষয় কোড-১০৭)-এর পরীক্ষক মো. মনির হোসেন, পরীক্ষক কোড- ২৫০২, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অনৈতিকভাবে ও তথ্য গোপন করে একজন পরীক্ষকের জন্য নির্ধারিত ৩০০ উত্তরপত্রের জায়গায় ৪৫০ উত্তরপত্র গ্রহণ করেছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে তা মূল্যায়ন করে প্রধান পরীক্ষককে হস্তান্তর করেছেন।

অন্যদিকে মো. খোরশেদ আলমকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র (বিষয় কোড-১০২)-এর পরীক্ষক . খোরশেদ আলম, পরীক্ষক কোড- ২০৬৯, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অনৈতিকভাবে ও তথ্য গোপন করে একজন পরীক্ষকের জন্য নির্ধারিত ৩০০ উত্তরপত্রের জায়গায় ৯০০ উত্তরপত্র গ্রহণ করেছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে তা মূল্যায়ন করে প্রধান পরীক্ষককে হস্তান্তর করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। 

এর আগে, সোমবার (১ জুন) একই অভিযোগে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আ. রশিদ মিয়াকে শোকজ করেছে বোর্ড।  তিনি এসএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয় পত্র (বিষয় কোড-১০২)-এর পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পরীক্ষক কোড-২৪৬০। তিনি নির্ধারিত ৩০০ খাতার স্থলে ৭০০ খাতা নিয়েছিলেন।