০৯ মে ২০২৬, ০৮:০৩

যশোর বোর্ডে এইচএসসির মূল সার্টিফিকেট পেতে দেরি, নেপথ্যে যে কারণ

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড  © টিডিসি সম্পাদিত

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত মাসেও মূল সার্টিফিকেট পায়নি শিক্ষার্থীরা। কবে পাবে তাও সঠিকভাবে বলতে পারছেন না বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এতে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যদিও বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেছেন, প্রিন্টারের কালি সংকটের কারণে সার্টিফিকেট ছাপাতে দেরি হয়েছে। এখন ছাপার কাজ চলছে।

বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৭ মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। আর এক মাস পর ২ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা। অথচ ২০২৫ সালের এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা এখনো তাদের মূল সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে পায়নি। শিক্ষার্থীরা সার্টিফিকেটের জন্য বোর্ডে গেলে তাদের বলা হচ্ছে, নির্ধারিত ফি দিয়ে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট তুলতে। এতে করে অনেক অভিভাবক ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

মনিরুজ্জামান নামে এক অভিভাবক জানান, তার ছেলেকে স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশে পাঠাবেন, এজন্য মূল সার্টিফিকেট প্রয়োজন। এ ছাড়া আবেদন করতে পারছেন না। বোর্ডে গেলে তাকে জানানো হয়, নির্ধারিত ফি দিয়ে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট তুলতে। একই কথা জানান আয়ুব হোসেন নামে আরেক অভিভাবক।

আরও পড়ুন: ‘২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে’

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আব্দুল মতিন বলেন, বোর্ডে আইনি জটিলতার কারণে কালি সংকট ছিল। এজন্য সার্টিফিকেট ছাপাতে দেরি হয়েছে। টেন্ডারের মাধ্যমে কালি কেনায় এখন সার্টিফিকেট ছাপার কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে স্বাক্ষর করে কলেজে দেওয়া হবে। কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের সার্টিফিকেট নেবে।

এ বিষয়ে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, এর আগের কর্মকর্তাদের কারণে কালি ক্রয়ের টেন্ডার দেয়ায় আইনি জটিলতা ছিল। সে জটিলতা দূর করে টেন্ডার দিয়ে প্রিন্টারের কালি কেনা হয়েছে। এখন সার্টিফিকেট ছাপার কাজ চলছে। ছাপা শেষ হলে স্বাক্ষর করে কলেজের সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দেয়া হবে। 

তিনি বলেন, এর আগে যারা দায়িত্বে ছিলেন, সেসব কর্মকর্তা ২০২৪ সালের এইচএসসির সার্টিফিকেট ছাপাননি, সেটাও ছাপানো হচ্ছে। সেগুলো ছাপা শেষ হলে কলেজে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অনেকে অভিযোগ করছেন, ২০২৪ সালের সার্টিফিকেট পেতেও বেগ পেতে হয়েছে। অনেকে এখনো ওই বছরের সার্টিফিকেট পাননি।