০৭ মার্চ ২০২৬, ১৩:৩৮

এইচএসসিতে খারাপ ফল, কুমিল্লা বোর্ডের ১৩ কলেজের কার্যক্রম স্থগিত

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড  © সংগৃহীত

এইচএসসিতে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখায় পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়,  কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য থেকে পাঁচ শতাংশ-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে, সে সব প্রতিষ্ঠানের ফল সন্তোষজনক নয়। এর প্রেক্ষিতে, গত ৭ জানুয়ারি চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণি থেকে পাঠদান ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কেমব্রিজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার যাইটশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চাঁনপুর আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের সেবাগ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ, কুমিল্লার ভাজরা 
এসইএসডিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের তোহা স্মৃতি গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের শরীফ উল্ল্যাহ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. নুরুন্নবী আলম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত একাদশ শ্রেণীতে খারাপ ফলাফল করে আসছিল এবং বারবার সতর্ক করার পরও মান উন্নয়নে ব্যবস্থা নেয়নি তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি একটি উদাহরণ তৈরি হলো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য। যারা খারাপ করবে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, তবে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাময়িকভাবে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা শর্ত পূরণ করলে, আবারও একাডেমিক কার্যক্রমের ফিরতে পারবে।

এ বিষয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সামছুল ইসলাম জানান, যেসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার শর্ত পূরণ করতে পারেননি এবং যাদের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।