বিএটি বাংলাদেশের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাখাবের বেনিদজে
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ পিএলসি (বিএটি)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কাখাবের বেনিদজে। ২০২৬ সালের ১ মে থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। তিনি মনীষা আব্রাহামের স্থলাভিষিক্ত হলেন, যার নেতৃত্বে বিএটি বাংলাদেশ শক্তিশালী ব্যবসায়িক অগ্রগতি অর্জন করেছে। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাখাবের বেনিদজে বিশ্বব্যাপী এফএমসিজি খাতে একজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী নেতা। এর মধ্যে ১৫ বছরেরও বেশি সময় তিনি বোর্ড পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালে বিএটিতে যোগদানের পর তিনি মার্কেটিং, সাপ্লাই চেইন ও জেনারেল ম্যানেজমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছেন।
কর্মজীবনে তিনি ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য, ককেশাস অঞ্চল (আজারবাইজান, জর্জিয়া ও আর্মেনিয়া), মলদোভা এবং ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন জটিল ও বহুসাংস্কৃতিক অঞ্চলে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিএটি বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি বিএটি সুইজারল্যান্ড ও বিএটি অস্ট্রিয়া ক্লাস্টারের জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন। ব্যবসায়িক পুনরুদ্ধার, টেকসই প্রবৃদ্ধি, পোর্টফোলিও রূপান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তার নেতৃত্ব বিশেষভাবে স্বীকৃত।
কাখাবের বেনিদজে ২০২৬ সালের ১ মে বিএটি বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। তার বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা, কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তবমুখী নেতৃত্ব বিএটি বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপের প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রতিষ্ঠানের অবদানের প্রথাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে এক্সিকিউটিভ এমবিএ, জুরিসপ্রুডেন্সে স্নাতকোত্তর এবং ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচারে ডিগ্রি।
নিয়োগ প্রসঙ্গে কাখাবের বেনিদজে বলেন, ১১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ করদাতা প্রতিষ্ঠান বিএটি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। আমাদের মেধাবী সহকর্মী ও অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের শক্ত ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা, ব্যবসায়িক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা এবং বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির যাত্রায় অর্থবহ অবদান অব্যাহত রাখাই হবে আমার অগ্রাধিকার।
প্রমাণিত নেতৃত্বগুণ ও বিস্তৃত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কাখাবের বেনিদজের নিয়োগ বিএটি বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক শক্তি এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধির সহযোগী হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাকে আরও সুদৃঢ় করবে।