০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৩

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৯ টন কাঁচা মরিচ

বেনাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে ভারতীয় ট্রাক  © টিডিসি

দেশে টানা অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম চালানে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করে।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, মরিচবাহী ট্রাকটি বন্দরে পৌঁছানোর পর দ্রুত কাস্টমস ও বন্দরের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় আমদানি করা কাঁচা মরিচ ঢাকার পাইকারি বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। এ চালানের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শিমু এন্টারপ্রাইজ এবং খালাস কার্যক্রমে সহযোগিতা করে শিমু শিপিং লাইন্স।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, বাজার পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মরিচবাহী ট্রাকের কাগজপত্র দ্রুত নিষ্পত্তি করে খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি ট্রাক কাঁচা মরিচ নিয়ে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব চালান দেশে প্রবেশ করলে বাজারে সরবরাহ আরও বাড়বে।

আমদানিকারক শাহাজান জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার মোট খরচ পড়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। সামান্য লাভ রেখে বাজারে বিক্রি করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আমদানির পরিমাণ বাড়লে কাঁচা মরিচের দাম দ্রুত কমে আসবে এবং সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি পাবেন।

তবে তিনি অভিযোগ করেন, কাস্টমসের বিভিন্ন জটিলতা ও পণ্য ছাড়করণে হয়রানির কারণে অতিরিক্ত রাজস্ব ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এতে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং অনেক আমদানিকারক লোকসানের ঝুঁকিতে পড়ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিলে আমদানি আরও সহজ ও ব্যয়সাশ্রয়ী হবে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে মঙ্গলবার বেনাপোলের কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে, যা আগের তুলনায় কিছুটা কম। ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, ভারত থেকে নিয়মিত আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দাম আরও সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।