১১ জুন ২০২৬, ১৭:১০

ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেম ও অন্য ধর্মীয় পুরোহিতদের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ৮১ কোটি

প্রতীকী ছবি   © সংগৃহীত

সারাদেশের ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন, পরিচালনা ও প্রধানদের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ধর্মীয় প্রধানদের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মসজিদের ক্ষেত্রে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে দেওয়া হবে মোট ১০ হাজার টাকা। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত ও সেবায়েতকে মোট ৮ হাজার টাকা মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট ৬হাজার ৪৩৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯হাজার ৫২০ জনকে মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা সব ধর্মীয় উপসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী বাজেটে এ বাবদ ১ হাজার ৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করছি।

আরও পড়ুন: পে স্কেলের ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি নিশ্চিতকরণ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা সৃষ্টি, সকল ধর্মীয় প্রধানের সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়ন, ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উন্নয়ন, সুষ্ঠুভাবে হজ কার্যক্রম সম্পাদন, ইসলামী গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, গণশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তির অবৈধ উচ্ছেদ ও উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১১টি ওয়াকফ এস্টেটের ২৮.২০ একর সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজে ব্যয় হ্রাস করা হয়েছে। আগামীতে হজ ব্যবস্থাপনা অধিকতর সাশ্রয়ী, সহজ ও সাবলীল করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। আগামীতে ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধির কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।