১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:২১

বদলির ফল প্রকাশ ইস্যুতে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ, ছিলেন মাউশি ডিজিও

লোগো  © ফাইল ফটো

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেকের সঙ্গে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দেশে ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা সচিবের দপ্তরে শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সেখানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলও উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রতিনিধি দল সিনিয়র সচিবের কাছে দ্রুত বদলির ফল প্রকাশের দাবি জানান। বদলি না হওয়ায় শিক্ষকরা যে কঠিন সময় পার করছেন সে বিষয়টিও শিক্ষা সচিবকে অবহিত করেন। এ সময় সচিব মাউশি মহাপরিচালকের কাছে বদলির ফল প্রকাশের অগ্রগতি জানতে চান।

সিনিয়র সচিবের জবাবে অধ্যাপক ড. সোহেল জানান, বদলির ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুত রয়েছে মাউশি। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দিলে সাতদিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব বলে জানা মহাপরিচালক।

পরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক জানান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দেশে ফেরার পর আগামী সপ্তাহে একটি সভা করা হবে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন। ওই সভায় বদলির ফল প্রকাশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বদলির আদেশ জারি করা না হলে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষাকরা। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

শনিবার এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী এক ফেসবুক পোস্টে একটি ব্যানার শেয়ার করে এ তথ্য জানান।

ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বদলির আদেশ জারি করা না হলে আগামী ৪ নভেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলি আবেদন শেষ হয়েছে। বদলির জন্য ১৩ হাজার ৬৭৮টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে একজন প্রার্থী একাধিক প্রতিষ্ঠান পছন্দ দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় আবেদনকৃত প্রকৃত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যায়নি।