আরও ৩ জেলার ১০০ স্কুলের গণিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে
গণিত শিক্ষার মানোন্নয়নে ‘খান একাডেমি বাংলাদেশ’ কার্যক্রমের আওতা বাড়িয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নতুন করে বগুড়া, কক্সবাজার ও নেত্রকোনা জেলার ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।
মাউশির এক আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোতে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এসব বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গণিত শেখার ফল বাড়াতে খান একাডেমি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হবে।
কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গণিত শিক্ষকদের খান একাডেমি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ডিভাইস ও আইসিটি সুবিধা মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য শিখনগত সহায়তা ও অনুশীলনের ব্যবস্থাও করা হবে।
এর আগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও পঞ্চগড় জেলার ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
শর্তাবলি:
ক) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা/বাস্তবায়নকালে জাতীয় ও ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থী কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
খ) জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সহায়তায় বিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে;
গ) শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটানো যাবে না;
ঘ) অনুমোদিত কার্যক্রমের পরিবর্তন/পরিমার্জন/সংশোধন করার ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা-এর অনুমোদন নিতে হবে;
ঙ) খান একাডেমি বাংলাদেশ কার্যক্রমের আওতা কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধি/হ্রাস করার ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে;
চ) খান একাডেমি বাংলাদেশের কার্যক্রম উপজেলা/জেলা/আঞ্চলিক কার্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্তৃক নিয়মিত তদারকি করা হবে;
ছ) প্রস্তাবিত কার্যক্রম তদারকির ক্ষেত্রে বাস্তবায়নকারী সংস্থা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে এবং এ-সংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করবে
জ) এই কার্যক্রমের ত্রৈমাসিক/বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন আবশ্যিকভাবে মাউশি অধিদপ্তর বরাবর প্রেরণ করতে হবে;
ঝ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর যেকোনো সময় এ কার্যক্রম বাতিল করতে পারবে,
ঞ) সরকার প্রদত্ত সুরক্ষা বিধিমালা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।