শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি ডিজি
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, ‘শিক্ষকদের তথ্য ভ্যালিডেশন চলছে। এই কাজ শেষ আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। এরপর বদলি আবেদনগ্রহণের অনুমতি চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।’
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাউশি ডিজি বলেন, ‘চলতি সপ্তাহের মধ্যে সব কার্যক্রম শেষ করার চেষ্টা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে আবেদনগ্রহণ শুরু হবে।’
চলতি মাস থেকে বদলি আবেদন গ্রহণ শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক সোহেল আরও বলেন, ‘কবে থেকে আবেদন শুরু করা যাবে তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে সরকার যত দ্রুত সম্ভব এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু করতে চায়। আমরাও সেভাই কাজ করছি।'
গত ২১ জুন মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলির তথ্য দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬ (সংশোধিত)’ অনুযায়ী টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় শিক্ষক-কর্মচারী বদলির জন্য প্রস্তুত করা সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল।
তবে সফটওয়্যারের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হঠাৎ সার্ভার শাটডাউন হয়ে যাওয়ায় তথ্য ও ডেটা সংগ্রহ কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়।
পরে সফটওয়্যারের কারিগরি সমস্যা সমাধান হওয়ায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য বা ডেটা ইনপুট দিতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইনপুট করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, স্কুলপর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময় ২৫ জুন ২০২৬। উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য সময়সীমা ৫ জুলাই এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য ১৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছিল।
অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তথ্য ইনপুট, ভেরিফিকেশন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের শেষ সময়ও ২৫ জুন। আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের (কলেজ) জন্য ৫ জুলাই এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের জন্য ১৫ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।