২৭ মে ২০২৬, ০৮:২৩

শিক্ষকদের বেতন দেরিতে কেন—প্রশ্নের জবাবে যা বললেন মাউশি ডিজি

অধ্যাপক ড. সোহেল ও মাউশি লোগ  © ফাইল ছবি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষজ-কর্মচারীদের বেতন দেরিতে দেওয়ার বিষয়টি একটি বার্নিং ইস্যু। প্রায়ই কথা বলতে শুনি যে নির্ধারিত সময় শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পাচ্ছে না। আগে প্রতি মাসের ২৮ অথবা ২৯ তারিখের দিকে আমরা ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতার বিলের চিঠি পাঠাতাম মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব অনুমোদন হতে ৭ থেকে ১০ তারিখ হয়ে যেত। এজন্য বেতনও দেরিতে ব্যাংকে যেত।

সম্প্রতি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, জীবনমানের উন্নয়নসহ নানা বিষয় নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন তিনি।

মাউশি ডিজির দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রণালয়ে বিল সাবমিটের সময় এগিয়ে আনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন প্রতি মাসের ২০ তারিখে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বেতন ভাতার প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠনো হচ্ছে। আমরা ৩০ তারিখের মধ্যে এজি অফিসের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে শিক্ষকদের বেতনের অর্থ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। যাতে এক তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংগুলোর মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা যেতে পারে।

বেতন-বিল সাবমিটের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক ড. সোহেল বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার বিল সাবমিটের নির্ধারিত যে সময় থাকে, সেই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্যাবলী সাবমিট করতে পারে না। সেজন্য আমরা তাদের জন্য মানবিক হয়ে সময় বৃদ্ধি করি। এটিও বেতন দেরিতে হওয়ার একটি কারণ। এবার ঈদ বোনাস এবং এপ্রিল মাসের বেতন শিক্ষক-কর্মচারীরা পেয়েছেন। ঈদ বোনাসের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের যেদিন ছিল সেদিনও অনেক প্রতিষ্ঠান বিল সাবমিট করেনি। তখন আমি একটা নোটিশ করেছি, একদিনের মধ্যে বিল সাবমিটের নির্দেশনা দিয়েছি। সেই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পরদিন বিল সাবমিট করেছে। পরে আমরা আর দেরি করিনি। পরদিনই সেটাকে প্রসেস করে মন্ত্রণালয় প্রস্তাবনা পাঠিয়ে দিয়েছি। এর ফলে যথাসময়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে ঈদ বোনাসের অর্থ চলে গেছে।