বদলির জন্য মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ কবে, জানালেন মাউশি ডিজি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এজন্য আজ বৃহস্পতিবার একটি চিঠি পাঠানো হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এসব কথা জানান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
মাউশি ডিজি বলেন, ‘মাঠ পর্যায় থেকে সংগ্রহের জন্য আজই চিঠি পাঠানো হবে। তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শেষ হওয়ার শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন আহবান করা হবে। এরপর বদলি কার্যক্রম শুরু হবে।’
এর আগে গত ১৮ মে শিক্ষকদের সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করে সেটি মাউশিকে অবহিত করা হয়। গত ১০ মে সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার আপডেট করতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি পাঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
গত ৬ মে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূণ্যপদের চাহিদা বা বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে।
প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের আবেদন আহবান করবে। সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান বা একই বিষয়ের শিক্ষক সমপদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বৎসর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোন জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবে।
এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় (সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বদলির আবেদন করতে পারবে। প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন।
এর আগে নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জারির পাশাপাশি নীতিমালাটি ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।