শিক্ষকদের বদলির অগ্রগতি জানাল মাউশি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার আপডেট নিয়ে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির উত্তর পাওয়ার পর মাঠ পর্যায় থেকে বদলির তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে।
রবিবার (১০ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার সকালে টেলিটককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী বদলি সফটওয়্যার প্রস্তুত রয়েছে কি না সেটি জানতে চাওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যার প্রস্তুত হলে বিষয়টি মাউশিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘টেলিটককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির জবাব পাওয়ার পর দ্রুত মাঠ পর্যায় থেকে শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে। টেলিটক যত দ্রুত চিঠির জবাব দেবে, তত দ্রুত তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মাউশি মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছিলেন, ‘শিক্ষকদের বদলির জন্য মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।’
গত বুধবার স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূণ্যপদের চাহিদা বা বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে।
প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের আবেদন আহবান করবে। সমস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান বা একই বিষয়ের শিক্ষক সমপদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বৎসর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আবেদনকারী শিক্ষক তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোন জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবে।
এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় (সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) বদলির আবেদন করতে পারবে। প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন।
এর আগে নীতিমালাটি অনুমোদন দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জারির পাশাপাশি নীতিমালাটি ওয়েবসাইটে আপলোডের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।