২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:২৬

সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবাসহ চার পাচারকারী আটক

জব্দ করা ইয়াবা  © সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বড় সাফল্যের দাবি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত এক বছরে নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৭৩ লাখ পিস ইয়াবা জব্দের পাশাপাশি ২৩৮ জন পাচারকারীকে আটক করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় এক রাতের ব্যবধানে পৃথক দুটি অভিযানে ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় আটক করা হয়েছে চার মাদক কারবারিকে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ সময় ক্যাপ্টেন মাহরাফ জামান উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে টেকনাফের হোয়াইক্যং চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে একটি ডাবল কেবিন পিকআপ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী পিকআপটিতে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের সিট কভারের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা। এ ঘটনায় পিকআপের চালক মো. সাইফুল ইসলামকে (৩১) আটক করা হয়। জব্দ করা হয় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত পিকআপ ও একটি মুঠোফোন।

একই রাতে উখিয়ার পালংখালী সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া মাঝের কাঠি এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল। এ সময় মিয়ানমার থেকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করা তিনজনকে চ্যালেঞ্জ করলে তাঁরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া দিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কাটাখাল এলাকার রাসেল (২৩) ও শাকিল (২২) এবং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লকের বাসিন্দা খাইরুল আমিন (২৪)। পরে তাঁদের বহন করা পোটলা তল্লাশি করে ৩৪ কার্টনে থাকা ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথক দুটি অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া গত এক বছরে নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে ১ কোটি ৭৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ২৩৮ জন পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।’