০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫১

নৈশ প্রহরীর চাকরি না দেওয়ায় মাদ্রাসা দখল ও অধ্যক্ষকে হুমকির অভিযোগ

নীলফামারীর জলঢাকায় লক্ষ্মীমারী আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা  © সংগৃহীত

‘নৈশ প্রহরী’ নিয়োগকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর জলঢাকায় লক্ষ্মীমারী আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা দখল চেষ্টা ও সুপারকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাহবুবার রহমান মিস্টার ও আব্দুল ওয়ালিদের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টকে হুমকি দেওয়া, তাঁর বিরুদ্ধে মানববন্ধন এবং সর্বশেষ মাদ্রাসায় হামলার চেষ্টা করার অভিযোগও করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারীরা।

গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে চাকরি প্রত্যাশী আব্দুল ওয়ালিদ ও মিস্টারের পরিবারের সদস্যরা কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিসহ মাদ্রাসায় হামলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ সময় ফরহাদ নামের এক কর্মচারী আহত হন বলে জানা গেছে। পরে তাঁকে নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট কবির উদ্দিন জানান, মাহবুবারের হুমকি এবং মাদ্রাসা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় গত ২৩ জুন জলঢাকা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি। জিডির নম্বর ১২০২। এতে তাঁকে হুমকি দেওয়া ও মাদ্রাসার কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা চাওয়া হয়। 

সুপার মো. কবির উদ্দিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, মোজাম্মেল হক ও মিস্টার মাদ্রাসার জমিদাতা হিসেবে নিজেদের দাবি করেন। জমিদাতা হিসেবে মোজাম্মেল হকের ছেলে আব্দুল ওয়ালিদকে নৈশ প্রহরীর চাকরি দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হয়। চাকরি না দেওয়ার কারণে মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা করেন তারা। আমাকে প্রাণ নাশের হুমকিও দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার তারা দখলের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় হামলা চালায়। আমার বিরুদ্ধে তারা এলাকায় নানা ধরনের গুজব ছড়ায় এবং মানববন্ধন করে। 

কবির উদ্দিনের দাবি, তিনি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী নিয়োগ দিয়েছেন। 

এ বিষয়ে মাদ্রাসার নিরাপত্তা প্রহরী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সেদিন সাংবাদিক অফিস থেকে যাওয়ার পর আমাকে ও সুপারকে দেখে নিতে চেয়েছিল ফারুক, ওয়ালিদ, মিস্টার সেখানে ওখানে ঝামেলা করেছিল। এক পর্যায়ে তারা আমাকে মারধর করে। এতে আমি আহত হই।’

ঘটনার বিষয়ে মাহবুবার রহমান মিস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে ‘ঘটনার বিষয়ে কিছুই বলবেন না’ বলে ফোন কেটে দেন।