১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:১৪

অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার, তিন কারণে তুহিনকে আটক

অপ্রতীম  © সংগৃহীত

নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর অপ্রতীমের মরদেহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে।

আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন বিকেল ৩টার দিকে তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের এক সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।  

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া। তিনি জানান, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
 
সূত্রে জানা যায়, বাসা থেকে বের হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতীমের সাথে তুহিনকে দেখা যায়। তার সাথে নিহত অপ্রতীম হ্যান্ডশেক করে প্রায় ঘন্টাখানেক কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় ছিল। পরে তারা ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যান। পাশাপাশি নিখোঁজের দিন অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনের ম্যাসেজিংও হয়েছে।

এ ছাড়াও আইফোনের জন্যই এ হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা অনেকটা নিশ্চিত এ কারণেই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু অপ্রতীম। নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ প্রশাসন তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।