১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৪৩

হবিগঞ্জে নিখোঁজ সিএনজিচালকের মরদেহ উদ্ধার

মরদেহ উদ্ধারস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন (ইনসেটে নিহত তুহিন মিয়া)  © সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২৩) নামের এক চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকার একটি বাঁশঝাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে। তিনি সিএনজি অটোরিকশা চালাতেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে বাহুবল বাজার এলাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন তুহিন। এরপর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধান করতে থাকেন। বুধবার সকালে সাতাইহাল গাজির মোকাম এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ের মধ্যে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা লাশটি তুহিনের বলে শনাক্ত করেন।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসাইন বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে একটি রাস্তার পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে লাশটি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে লাশটি সেখানে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা অবরুদ্ধ গোবিপ্রবি ভিসিকে উদ্ধারের সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ধাক্কাধাক্কি, সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগ

স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, তুহিনের সিএনজি অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের পর তাকে হত্যা করে লাশটি সেখানে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। একই সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশাটি কোথায় রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তুহিনের লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।