১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইনসে হামলা, আহত ৩০

পুলিশ লাইন্সের অনুষ্ঠানে হামলা  © সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পণ্ড হয়ে গেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের লাঠিচার্জে মাদরাসার অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। হামলার শুরুর দিকে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হন। সব মিলিয়ে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ছিল। পরে দুই পক্ষের আলোচনার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমনকে কেন্দ্র করে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় সেখানে উচ্চৈঃস্বরে গান-বাজনা হচ্ছিল। মাদরাসার শিক্ষার্থীরা গান-বাজনার শব্দ কমানোর জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।

একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করেন। তারা সেখানে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে মাদরাসার অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। অন্যদিকে, শুরুর দিকে শিক্ষার্থীদের হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

ঘটনার পর মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলামসহ অন্যরা।

আলোচনায় মাদরাসার শিক্ষার্থীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তারা পুলিশ লাইন্সে ভবিষ্যতে আর কখনো উচ্চৈঃস্বরে গান না বাজানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিও করেন।

পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, কেউ অতিউৎসাহী হয়ে কোনো কিছু করে থাকলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।