১১ জুলাই ২০২৬, ১৪:০১

সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, সকালে ডোবায় মিলল স্বামীর মরদেহ

মরদেহ দেখছেন উৎসুক মানুষ। শনিবার সকালে পাবনা সদরের ভাড়ারা লালগোলা এলাকায়  © টিডিসি

পাবনার সদর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তুহিন খাঁ (২০) নামের এক যুবকের গলায় গামছা পঁ্যাচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

‎শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া লালগোলা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহত তুহিন খাঁ সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি খার ছেলে। শ্বশুরের নাম আকতার হোসেন। তিনি নলদহ লালগোলা এলাকার দুবাই প্রবাসী। স্ত্রীর নাম আফসানা খাতুন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানার সঙ্গে ঝগড়াও হয়েছিল। স্থানীয়রা সকালে ‎পুকুরের ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় গামছা পঁ্যাচানো ছিল।

‎এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ওই যুবক মসজিদের বারান্দায় রাতে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাত দুইটার দিকে আমরা খবর পাই। আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়। পরে সকালে মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।’ 

‎ওসি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনা তদন্ত করা হবে। এরপরই মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে। তবে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদক সেবন নিয়ে তার শ্বশুড়বাড়িতে ঝগড়াও হয়েছিল।