লুটপাটের মামলায় আওয়ামী লীগের ৫ নেতা কারাগারে
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় বিএনপির কাউন্সিলে ককটেল বিস্ফোরণ, সভামঞ্চ ভাঙচুর ও লুটতরাজের একটি মামলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৮ জুলাই) পটুয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন অভিযুক্ত পাঁচ নেতা। তবে জেলা ও দায়রা জজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া নেতারা হলেন, গৌতম রায়, কাজী আজাদ, শাহজাহান মিয়া, জাকির হোসেন ভূঁইয়া ওরফে ভুট্টো এবং রমিজ মোল্লা। মামলার এজাহারে ৩, ৪, ১৩, ২৯ ও ৩২ নম্বর আসামি ছিলেন এই পাঁচজন আওয়ামী লীগ নেতা।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের মার্চ মাসে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল চলাকালে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সভামঞ্চ ভাঙচুর করে এবং মালামাল লুটপাট করেন। ওই ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছিলেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সবুজ ঢালি বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দশমিনা থানায় ৪৮ জনের নামে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। পরে আজ কারাগারে যাওয়া ৫ জনসহ কিছু আসামি উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ৫ জন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, ৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি। তবে এখনো আদালত থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থানায় আসেনি বলে জানান তিনি।