বুয়েট-১৭ এর সহকারী প্রকৌশলী মেহেদীর ওপর সিবিএ বিএনপিপন্থী কর্মচারীদের হামলা
চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ বিদ্যুৎ ভবনে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী শ্রমিক ইউনিয়ন (সিবিএ) সংশ্লিষ্ট ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দলের বিরুদ্ধে প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার ভিডিও প্রকাশের পর সৃষ্ট আলোচনার মধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চার কর্মচারীকে তাৎক্ষণিক বদলি করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন মো. হাফেজ, নুর নবী, শফিকুল ইসলাম ও মো. আইয়ুব।
জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াসমিনের অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিবিএ এর বর্তমান ও সাবেক মিলে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তীব্র বাগ্বিতণ্ডায় জড়ায়। পরে অফিসের বাইরে গলিতেও মারামারির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, পুরো ঘটনায় নেতৃত্ব দেন সম্প্রতি অবসরে যাওয়া গাজী মো. আইয়ুব। প্রকাশিত ৫০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে গাজী মো. আইয়ুবকে সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসানকে থাপ্পড় দিতে দেখা যায়। মেহেদী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী। এই ব্যাচের পক্ষ থেকে ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
ঘটনায় মারধর ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন প্রকৌশলী মেহেদী হাসান ও নিলুফা ইয়াসমিন, কর্মকর্তা মো. পারভেজসহ আরও কয়েকজন।
নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে আমার অফিসে একজন কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। এক্ষেত্রে সিবিএ নেতাদের পছন্দের লোক কেন নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার জন্য তাদের ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ প্রথমে আমার অফিস রুমে প্রবেশ করে তীব্র বিতণ্ডা শুরু করে। আমাদেরকে মারধরের ঘটনা ঘটায়।
নিলুফা ইয়াসমিন আরও জানান, এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে চারজনকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।
এই বিষয়ে সিবিএর সাবেক নেতা গাজী মো. আইয়ুবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি এখনও তার নজরে আসেনি। একই সঙ্গে দোষী যেই হোক, তার বা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান।