২৭ মে ২০২৬, ১০:৫৬

হাটে গরু বাধাকে কেন্দ্র করে ভাগ্নেকে মারধর, বাঁচাতে গিয়ে মামা নিহত

নিহত ব্যক্তির লাশ হাসপাতালে   © সংগৃহীত

ঢাকার সাভারে কোরবানির পশুর হাটে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিবাদে মারধরের শিকার ভাগ্নেকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদুল্লাহ কায়সার (৫০) নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, হাট কর্তৃপক্ষের নিয়োগ করা কর্মীদের মারধরে তিনি মারা যান।

নিহত শহীদুল্লাহ (৫০) ধামরাইয়ের বাইশাকান্দা ইউনিয়নের মঙ্গলবাড়ি এলাকার মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে। 

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের পাড়াগ্রাম কোরবানির পশুর হাটে ঘটনাটি ঘটে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিহতের ভাগ্নে ফিরোজ কবির বলেন, আমার মামার সঙ্গে কোরবানির পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে যাই। মামার ১৮টি গরু ছিল। এরমধ্যে ১৪টি বিক্রি হয়েছে। বাকি চারটা নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। ওই সময় অন্য একজন ব্যক্তি এসে একই জায়গায় গরু বাঁধতে গেলে বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। আমার মামা প্রতিবাদ করলে হাট কর্তৃপক্ষের কিছু লোক এবং আশপাশে থাকা আরও কয়েকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় আমি আগে আক্রান্ত হই। এক পর্যায়ে আমাকে বাঁচাতে গেলে আমার মেজো মামার ওপরও হামলা করা হয়। এ সময় আমার ছোট মামার কাছে গরু বিক্রির ৫ লাখ টাকা এবং মেজো মামার কাছে দুটি ছাগল বিক্রির ৪০ হাজার টাকা ছিল। হামলাকারীরা সেই টাকাগুলো নিয়ে যায়। হামলার পর গুরুতর অবস্থায় আমরা দ্রুত ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে চিকিৎসক দীর্ঘক্ষণ পর্যবেক্ষণের পর জানান, আমার মেজো মামা মারা গেছেন।

ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী রেজাউল বলেন, ‘কন্ট্রোল রুম থেকে খবর পাই, পাড়াগ্রাম গরুরহাটে মারামারির ঘটনায় আহত এক ব্যক্তি হাসপাতালে এসে মারা গেছেন। এ ঘটনার আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থল আশুলিয়া থানার আওতাধীন হওয়ায় বিষয়টি আশুলিয়া থানাকে অবহিত করা হবে।’

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।