খাবার কিনে দেওয়ার প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনার চাটমোহরে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার বিনিময়ে খাবার কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আবদুল জলিল (৬০) নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের কামালপুর কুমারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আবদুল জলিল ওই গ্রামের মৃত মিয়াজান প্রামাণিকের ছেলে। ভুক্তভোগী ওই শিশু স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় রাতেই ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই শিশুকে তার মা বাড়ির অদূরের দোকান থেকে কয়েল আনতে পাঠায়। এ সময় সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা আবদুল জলিল শিশুটিকে খাবারের লোভ দেখিয়ে তার ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে। পরে শিশুটি ঘর ঝাড়ু দিতে গেলে, পেছন থেকে জাপটে ধরে এবং মুখ চেপে ধরে ওই শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই বাড়িতে কেউ ছিল না।
এরপর ওই শিশুটি দোকানে না গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে যায় এবং তার পরিবারকে ঘটনাটি খুলে বলে। রাতে মেয়েটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এদিকে ঘটনার পর এলাকা থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত আবদুল জলিল।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বুধবার পাবনা ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত আবদুল জলিল পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান ওসি।