১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৫৬

চাচি-ভাতিজার প্রেমের সম্পর্ক, অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইলের পর যা ঘটল

প্রতীকী ছবি   © সংগৃহীত

প্রেমের টানে আপন চাচির সঙ্গে দেখা করতে এসে আটক হন ভাতিজা তারেক মিয়া। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে নেত্রকোনার মদন উপজেলা পৌর শহরের হাজী বিরানী হাউজে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে আপন ভাসুরের ছেলে তারেক মিয়ার (১৮)। সে উপজেলার খাগুরিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। প্রেমের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে।

দু’জনের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের কিছু ছবি গোপনের ধারণ করে রাখেন ভাতিজা। কিন্তু চাচি ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে, ভাতিজা অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবির ভয় দেখিয়ে চাচীর সঙ্গে আরও কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়। এমনকি চাচীর কাছ থেকে ভাতিজা পর্যায়ক্রমে ২ লাখ নগদ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় চাচীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে ভাতিজা। চাচী তাকে মদন পৌর শহরের হাজী বিরিয়ানী হাউজে আসতে বলেন। ভাতিজা হাজী বিরিয়ানী হাউজে টাকা নিতে আসলে পুলিশ তাকে হাতে নাতে ধরে।

হাজী বিরিয়ানী হাউজের ম্যানেজার মাসুদ মিয়া বলেন, ‘আজ বিকালে একজন মহিলা আমাদের রেস্টুরেন্টে এসে বসেন। কিছুক্ষণ পর একটা ছেলে আসে। আরও কিছুক্ষণ পর কয়েকজন লোক এসে ছেলেটাকে কিল-ঘুষি মারতে মারতে হাতকড়া লাগিয়ে নিয়ে যায়।’

চাচি জানান, আমার মোবাইল থেকে ছবি নিয়ে তারেক আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এবারও টাকা নিতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে।’

ভাতিজা তারেক মিয়া বলেন, ‘চাচির সঙ্গে আমার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক আছে ঠিকই। কিন্ত টাকা ও স্বর্ণের বিষয়টি মিথ্যা।’

এ বিষয়ে  মদন থানার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাম রসুল বলেন, ‘চাচির অভিযোগের প্রেক্ষিতেই ভাতিজাকে পৌর শহরে অবস্থিত হাজী বিরিয়ানী হাউজ থেকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’