জুলাই হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে অব্যাহতি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে জুলাইয়ের হত্যা, হামলা, ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতাউস সামাদ বাবু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল পাঠানসহ কয়েকজনকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুলগড় এলাকায় সংঘটিত ঘটনায় গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী বাদী হয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় হামলা, ভাঙচুর, নাশকতা এবং গুলি করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।
মামলার ৩৩ নম্বর আসামি ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু এবং ১২ নম্বর আসামি ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল পাঠান। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরসহ কয়েকজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হবিগঞ্জ পিবিআই পরিদর্শক বদরুল হাসান গত ১৯ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তিনি জানান, “আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বল্প সময়ে দক্ষতার সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।”
তবে অভিযোগপত্রে ওই দুই নেতার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি। পিবিআই সূত্র জানায়, মাধবপুর থানা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় এমনটি হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তারা পাওয়া যায়নি।
অব্যাহতি পাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা শ্রীধাম দাশগুপ্ত বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলেও অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। আমরা নতুন সরকারের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।”
বাদী গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, “পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে আমি সন্তুষ্ট। না-রাজি দেব না। বাকি কথা সরাসরি বলবো।”