যশোরে বৈশাখি শোভাযাত্রায় মুখোশ পরায় নিষেধাজ্ঞা
বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে যশোরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন এবার নিরাপত্তার স্বার্থে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মুখোশ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে প্রতীক বা প্ল্যাকার্ড হিসেবে মুখোশ বহন করা যাবে। বুধবার বেলা ১১টায় কালেক্টরেট সভাকক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, বৈশাখের মূল শোভাযাত্রাটি সকাল সাড়ে ৮টায় টাউন হল ময়দান থেকে শুরু হবে। জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই বর্ণাঢ্য র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় টাউন হল মাঠে গিয়ে শেষ হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বৈশাখের সকল অনুষ্ঠান অবশ্যই সন্ধ্যার মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। অনুষ্ঠানস্থল ও শোভাযাত্রার রুট জুড়ে থাকবে পুলিশের কড়া নজরদারি।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী সংগঠনকে পাঁচ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান উৎসবকে ঐতিহ্যের আবহে এবং সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, পহেলা বৈশাখের সার্বিক নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনে পুলিশ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকারের পরিচালনায় প্রস্তুতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, যশোর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত স্থানীয় শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা। ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে এখন পুরোপুরি প্রস্তুত যশোর জেলা।