শেরপুর-৩ আসনে ভোটকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে দুই উপজেলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনটিতে ভোটগ্রহণকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
এ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) থেকে মিজানুর রহমান।
নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ইতোমধ্যে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। ভোটগ্রহণের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৩ জন ভোটার রয়েছেন। দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতি কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ ও ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকছে ১ হাজার ১৫০ জন পুলিশ, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ১৪টি র্যাবের টিমে ১৩৫ জন সদস্য এবং ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকবেন ১৪ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় ১৮ জন কর্মকর্তা।
এদিকে, নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। এখন ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।