০৯ মার্চ ২০২৬, ১০:২১

হাদি হত্যায় অভিযুক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতে ‘কনস্যুলার অ্যাকসেস’ চেয়েছে বাংলাদেশ

ওসমান হাদি (বাঁয়ে) হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল মাসুদ করিম (ডানে) ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ  © সংগৃহীত

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক ওসমান হাদির হত্যায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল মাসুদ করিম সহযোগীসহ ভারতে গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের সাক্ষাৎ চেয়েছে বাংলাদেশ। এ জন্য ‘কনস্যুলার অ্যাকসেস’ চেয়ে নয়াদিল্লিকে অনুরোধও জানানো হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরই তারা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শুধু তা-ই নয়, তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ‘কনস্যুলার অ্যাকসেস’ চেয়ে নয়াদিল্লিকে অনুরোধও জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জালে ধরা পড়েছেন ফয়সালের সহকারী তথা খুনে অন্যতম অভিযুক্ত আলমগীর শেখও। হাদি-খুনে বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে এই দুজনকে মূল অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়ে বনগাঁর সীমান্ত এলাকা থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বাংলাদেশে তোলাবাজি এবং খুনের ঘটনায় নাম জড়ানো এ দুজন ওই এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে খবর পেয়ে হানা দেওয়া হয়েছিল। সুযোগ পেলেই তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে পারেন, এমনও জানা গিয়েছিল। সে খবরের ভিত্তিতে হানা দিয়ে গোপন আস্তানা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইনকিলাব মঞ্চের ঢাবি শাখার কমিটি ঘোষণা

শনিবার গভীর রাতে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসটিএফ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, ধৃতরা হাদিকে ‘খুন’ করে অবৈধ ভাবে মেঘালয়ের সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে তারা বনগাঁয় ফিরে আসেন। 

তাদের পরিকল্পনা ছিল আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া। তার আগেই গ্রেফতার হলেন দুজন। এসটিএফ ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করেছে। আদালতে হাজির করিয়ে তাদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

গত ডিসেম্বরে ঢাকায় ৩২ বছর বয়সী ওসমান হাদিকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। পরে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় তরুণ নেতার। তার মৃত্যু ঘিরে ফের অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ।