ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৫ বছরের শিশু তাবাসসুমকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আবু তাহের (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়। শুক্রবার সকালে তাকে কালীগঞ্জ থানায় আনা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তাহেরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাইগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে পানির বর্জ্যের ওপর থেকে একটি জুতা এবং পার্শ্ববর্তী নদী থেকে একটি লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত তাবাসসুম মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে। জীবিকার তাগিদে পরিবারটি কালীগঞ্জের বারবাজারের বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করত। গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাড়ির আঙিনায় খেলার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাননি।
একদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত আবু তাহের এলাকা ছেড়ে কুষ্টিয়ায় আত্মগোপন করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের একটি দল শুক্রবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে কালিগঞ্জ থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রশি ও বস্তাসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন জানান, 'শুরু থেকেই পুলিশ ছায়াতদন্ত চালিয়ে আসছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান।'