চতুর্থ দিনের শুরুটা নিজেদের করে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দিনের প্রথম ৩০ ওভারে ২ উইকেট হারালেও ১২১ রান তুলেছে ক্যারিবীয়রা। ফলে মধ্যাহ্নবিরতিতে ২ উইকেটে ১২৮ রান নিয়ে ব্যাট করছে তারা। এতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৯৮ রানে।
মধ্যাহ্নবিরতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৬১ রান করে আউট হয়েছেন ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং। অন্যদিকে ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন হজ। বাংলাদেশের হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
দিনের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া ডি সিলভা। দুজন মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ৮৫ রান যোগ করেন। একের পর এক বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের বোলারদের চাপে রাখেন তারা।
শেষ পর্যন্ত জশুয়া ডি সিলভাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। ৩৬ রান করা এই ব্যাটারকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন তিনি। এতে ভাঙে ক্যারিবীয়দের উদ্বোধনী জুটি।
এরপরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান ব্র্যান্ডন কিং। ৮৪ বলে ৬১ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও একটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। তার বিদায়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ শিবিরে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে বাংলাদেশের হয়ে অসাধারণ ব্যাটিং করেন তাওহিদ হৃদয়। তার অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৮৬ রান করে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে ৩০ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পেসাররা ভালো করলেও স্পিনাররা প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা দারুণ বোলিং করেছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিবীয় ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব এখন বাংলাদেশের বোলারদের। বিশেষ করে তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসানের ওপর বাড়তি দায়িত্ব থাকবে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩৫৬ ও ১২৮/২ (ব্র্যান্ডন কিং ৬১, হজ ৩০*; মেহেদী হাসান মিরাজ ১/৩০, তাইজুল ইসলাম ১/৩৭)।
বাংলাদেশ: ৩৮৬ (তাওহিদ হৃদয় ২৪২*, মুশফিকুর রহিম ৩৪; ওয়ারিক্যান ৪/১০৪)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে ৯৮ রানে।