বিগ ব্যাশ ধোঁয়াশা কাটিয়ে দল পেলেন রিশাদ
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সংস্করণে খেলতে পারবেন না রিশাদ হোসেন। একই সময়ে বিগ ব্যাশে ব্যস্ত থাকবেন এই ডানহাতি লেগ স্পিনার। তবে টি-টোয়েন্টিতে খেলতে না পারলেও তাকে দলে ভিড়িয়েছে ফরচুন। নিলামে ৬০ লাখ পয়েন্টে রিশাদকে দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
রিশাদকে নিলামে তোলার সময় তার খেলার প্রাপ্যতা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সংস্করণে তাকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ছিল অস্পষ্টতা। নিলামে তার নাম ওঠার পরপরই বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয় অদ্ভুত পরিস্থিতি।
পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিষ্কার করে জানায়, টি-টোয়েন্টি সংস্করণে নয়, বরং ডি থ্রির ওয়ানডে ও চার দিনের সংস্করণে খেলতে পারবেন রিশাদ। এরপরই তাকে নিয়ে নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ৬০ লাখ পয়েন্টে তাকে দলে নেয় ফরচুন।
এর আগে ডি থ্রি টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের নিলামে রেকর্ড ১ কোটি ৫০ লাখ টাকায় দল পেয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। তাকে দলে নিতে একমি, ফরচুন, এইস ব্লুস্টার ও সিটিজেন ব্যাংকের মধ্যে লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দর হাঁকিয়ে মেহেদীকে দলে নেয় এইস ব্লুস্টার।
এছাড়া ৭৫ লাখ পয়েন্টে ফরচুন কিনে নিয়েছে সৌম্য সরকারকেও। ৮০ লাখ পয়েন্টে তাইজুল ইসলামকে কিনেছে সেভেন রিংস সিমেন্ট।
এবারের নিলামে মোট ২৮১ জন ক্রিকেটারের নাম থাকলেও নিলামে তোলা হচ্ছে ২৭৫ জনকে। বাকি ছয়জন আইকন ক্রিকেটার হিসেবে আগেই দল পেয়েছেন। তাদের মধ্যে নুরুল হাসান সোহান ব্লুস্টারে, তাওহীদ হৃদয় ফরচুনে, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একমিতে, মোহাম্মদ নাঈম শেখ সিটিজেন ব্যাংকে, মুশফিকুর রহিম সেভেন রিংস সিমেন্টে এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ওয়ালটনে খেলবেন।
নিলামে থাকা ২৭৫ ক্রিকেটারের মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ১৭ জন, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ২৪ জন, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৭০ জন, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ৫২ জন এবং ‘ই’ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ১১২ জন ক্রিকেটার।