বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে
তাসকিনের তোপে ২৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল জিম্বাবুয়ে। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিকে দলকে বিপদ থেকে টেনে তোলেন ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেগ আরভিন। তাদের ১৫০ রানের জুটিতেই বড় পুঁজি স্বপ্ন বুনেছিল রোডেশিয়ানরা। এর মধ্যে ফিফটি ছুঁয়ে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন আরভিন। কিন্তু নার্ভাস-নাইটিনে কাটা পরায় শেষমেশ তা হয়নি। তবে এই জুটির কল্যাণেই আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় রোডেশিয়ানরা।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আবুধাবিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রানের পুঁজি দাঁড় করায় জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৩ রান করেন ক্রেগ আরভিন। অন্যদিকে টাইগারদের হয়ে ৪৪ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন তাসকিন।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। পঞ্চম ওভারে এই পেসারের শিকার হন বেন কারান। পরে ওয়ানডে অভিষিক্ত তাফাদজওয়া টিসিগাকেও ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন তাসকিন। মাত্র ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেগ আরভিন। চতুর্থ উইকেটে দারুণ ব্যাটিংয়ে দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। গড়েন ১৫০ রানের জুটি। তবে সেঞ্চুরির আগেই থামতে হয় দুজনকে। ১০১ বলে ৮১ রান করা টেলরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাইফ হাসান। নিজের পরের ওভারেই সিকান্দার রাজাকে আউট করেন তিনি। পরে আরভিনকে ১০৬ বলে ৯৩ রানে ফিরিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম। এর আগে ওয়েসলি মাধেভেরেকে ফেরান রিশাদ হোসেন।
শেষ দিকে জিম্বাবুয়ের রানের গতি কমিয়ে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। শরিফুলের শিকার হন ব্র্যাড ইভান্সও। তবে নিউম্যান নিয়ামহুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার অপরাজিত ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে আড়াইশ পেরোয় স্বাগতিকদের সংগ্রহ। নিয়ামহুরি ও মাসাকাদজা দুজনই করেন ২১ রান।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন ৩টি, শরিফুল ও সাইফ ২টি করে এবং রিশাদ ১টি উইকেট নেন।