১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:২৩

কাটেনি আফগানিস্তানের শঙ্কা, শেষ সেশনে রোমাঞ্চ

বাংলাদেশ দল  © সংগৃহীত

শেষবেলায় জমে উঠেছে আবুধাবি টেস্ট। শেষ সেশনে ৪ উইকেট দরকার বাংলাদেশের। অন্যদিকে ২১৪ রান প্রয়োজন আফগানিস্তানের। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে স্বাগতিকদের আশা জিইয়ে রেখেছেন সেদিকউল্লাহ আতাল।

দিনের শুরুতে ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল আফগানিস্তান। শুরু থেকেই সতর্ক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের সামাল দিচ্ছিল তারা। হাশমতউল্লাহ শহিদি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়লে ক্রিজে আসেন ইকরাম আলিখিল। ওপেনার সেদিকউল্লাহ আতালকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচে ড্র কিংবা জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। 

তবে দলীয় ২০২ রানে থামে ইকরামের ইনিংস। এবাদতের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৬৯ বলে ৩৩ রান করেন এই ব্যাটার। ইনিংসে এবাদতের তৃতীয় শিকার এটি। তার সাফল্যের স্বস্তি নিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় সেশনে আতাল ও ইসমত আলমের জুটিতে সফরকারীদের চাপে রাখে আফগানিস্তান। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারও ছুঁয়ে নেন আতাল। তবে মিরাজের স্পিন-বিষে ৬০ বলে ৪ রান করা ইসমত সাজঘরে ফিরলে ফের স্বস্তিতে ফেরে টাইগাররা। চা-বিরতির আগে শহিদিকেও ফেরান মিরাজ।

চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ১০৮ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান জড়ো করেছে আফগানিস্তান। আতাল ১০৫ ও ইয়ামিন আহমেদজাই শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে, নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। তামিমের ৮৩, সাদমান ইসলামের ৬৭ ও লিটন দাসের ৫৩ রানের ইনিংসে ভর করে এই পুঁজি পায় টাইগাররা। জবাবে আফগানিস্তানের প্রথম ইনিংস থামে ২৪০ রানে।

পেসারদের জন্য খুব বেশি সহায়ক না থাকা উইকেটেও দুর্দান্ত বোলিং করেন হাসান মাহমুদ। হ্যাটট্রিকের পর ফাইফার তুলে নেন তিনি। এবাদত নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের হয়ে সেঞ্চুরি করেন রহমত শাহ, আর আব্দুল মালিকের ব্যাট থেকে আসে ৬২ রান।

এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে লিটন দাসের শতক এবং মুশফিকুর রহিম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের অর্ধশতকে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান।